জানুয়ারিতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

প্রাথমিকে বাড়ানো হবে শিক্ষক নিয়োগের সংখ্যা

সারাদেশে ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষকের পদ খালি। করোনার কারণে সীমিত পরিসরে চলছে স্কুলের পাঠদান। সকল স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে প্রতি শ্রেণিতেই বেড়েছে শাখা।এ সময়কে সামনে রেখে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে লিখিত পরীক্ষার। সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে ৩২ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক।

প্রাক প্রাথমিক পর্যায়ে নিয়োগ পাবেন ২৫ হাজার ৬৩০ জন। বাকিগুলো শূন্যপদে নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে গত দুই বছর শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত থাকায় শূন্যপদের সংখ্যা বেড়েছে।আবার এর মধ্য অনেক এ অবসরে গেছে। এজন্য বাড়ানো হবে  শিক্ষক নিয়োগের সংখ্যা।এদিকে পুরোদমে ক্লাস ও পরীক্ষা চালু হলে এই শিক্ষক সংকট আরো তীব্র হবে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সে কারণেই ৩২ হাজার ৫৭৭ পদে সহকারি শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।গত বছরের ২৫ অক্টোবর অনলাইনে আবেদন শুরু হয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে। আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয় গত বছরের ২৪ নভেম্বর রাতে। এর পরের ৭২ ঘণ্টা সময় ছিল পেমেন্ট করার জন্য। পেমেন্ট শেষে ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। তবে করোনার কারণে পরীক্ষা নেয়া যায়নি। এ অবস্থায় জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নেয়া হবে এই পরীক্ষা (সুত্র ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি নিউজ)। ধাপে ধাপে জেলা পর্যায়ে পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।

তবে সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রিকায় নান রকম  প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের নিউজ প্রকাশ পেয়েছে।যেমন ,

আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা থাকায় জানুয়ারির মাঝামাঝি প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। এ সময়কে সামনে রেখে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে লিখিত পরীক্ষার (বিভিন্ন পত্রিকা)

এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন  (প্রথম আলো)  পত্রিকায় বলেছিলেন, ইতিমধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ হয়েছে  আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এ পদের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে।

আর গবেষকরা বলছেন, এই নিয়োগ প্রক্রিয়া যাতে স্বচ্ছ হয়, সেদিকে সর্বোচ্চ নজরদারি থাকতে হবে।এই পরামর্শ বিবেচনায় নিয়ে মন্ত্রণালয় বলছে, পরীক্ষা সংক্রান্ত যে কোনো অভিযোগ সরাসরি জানাতে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.